About US

টোব্যাকো কন্ট্রোল এন্ড রিসার্স সেল
তামাকের ক্ষতিকর দিক থেকে যুব সমাজকে রক্ষার্থে, তামাক চাষকে নিরুৎসাহিত করে বরং খাদ্য শস্য চাষে উদ্ভুদ্ধ করতে এবং একটি সুন্দর, সুস্বাস্থ্য এবং ধূমপান ও মাদকের বিষমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে ভুমিকা রাখার লক্ষ্যে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ‘টোব্যাকো কন্ট্রোল এন্ড রিসার্স সেল’ (টিসিআরসি) নামে একটি আলাদা গবেষণা কেন্দ্র গঠন করে। বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করতে টিসিআরসি জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটসহ বিভিন্ন সরকারী, বেসরকারী ও আর্ন্তজাতিক সংস্থার সাথে এক যোগে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।

বাংলাদেশে ৪ কোটি ১৩ লক্ষ মানুষ তামাক ব্যবহার করেন। বাংলাদেশের প্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর ৬৩% লোক অর্থাৎ ১ কোটি ১৫ লক্ষ মানুষ কর্মক্ষেত্রে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়। প্রতি বছর এ দেশে প্রায় ১ লক্ষ মানুষ ধূমপানের কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় এবং ৩ লক্ষ ৮২ হাজার মানুষ তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করে। অন্যদিকে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশের অধিক যুবক- তরুণরা। আর এই তরুণ সমাজই ধূর্ত তামাক কোম্পানীর প্রধান লক্ষ্য। ক্যান্সার, হৃদরোগ, উচ্চরক্তচাপ, স্ট্রোক, হার্ট এটাক, ডায়বেটিস, হাঁপানি/এজমাসহ ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন রোগের প্রধান কারণ ধূমপান ও তামাক সেবন। বিড়ি-সিগারেটের ধোঁয়ায় নিকোটিন; টার; কার্বন মনোক্সাইড; মিথানল; আর্সেনিক; ডিডিটিসহ ৪০০০ এর বেশি ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান রয়েছে; যার মধ্যে ৪৩টি সরাসরি মানবদেহে ক্যান্সার সৃষ্টি করে।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিষ্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর নেতৃত্বে এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. কে. এম. মহসীন ও ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ডা. এস. কাদির পাটোয়ারির মত উপদেষ্টামন্ডলীর সহযোগিতায় এগিয়ে চলছে টিসিআরসির কার্যক্রম।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের শীর্ষ বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশ্ববিদ্যালয়টি একই সাথে প্রাচীন সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ, পশ্চিমা চিন্তা ভাবনা ও নতুনত্ব মিলিয়ে উচ্চতর শিক্ষার জন্য চমৎকার একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। ১৯৯৫ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তৎকালীন বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. এম. আই. পাটোয়ারীর হাত ধরে ‘ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’-এর যাত্রা শুরু হয়।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পাঁচটি অনুষদের অধীনে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে আলাদা আলাদা ৫ টি গবেষণা কেন্দ্র। দেশের উচ্চশিক্ষা প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে অন্যতম দিকটি হলো হাতে কলমে শিক্ষাদান যা এখন বিলুপ্ত প্রায়। বিভাগ অনুযায়ী দেশ বিদেশের বিভিন্ন শিল্প-কলকারখানা ও কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানে আগ্রহী করে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।